নির্বাচনের আগে বরিশাল বিভাগের ২১ সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত প্রার্থীদের নিয়ে জনসভা করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরের বেলস পার্ক মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা এ অঞ্চলের মানুষদের উদ্দেশ্যে জানান। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতে বরিশাল-ভোলা ব্রিজ নির্মাণের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য উন্নত করতে হবে, ভোলায় মেডিকেল কলেজের কাজেও হাত দিতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এ এলাকার নদীভাঙন। অনেকের বাবা–দাদার ভিটে বাড়ি ভেঙে যাচ্ছে, মসজিদ ও মাদ্রাসাও ভেঙে গেছে। তাই এই বিশাল এলাকায় বেড়িবাঁধ দিতে হবে।
নদীভাঙন যেকোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে আমাদের। এ ধরনের আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে। আর এসব কাজ করতে হলে আপনাদের সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে দেখেছেন বিএনপি সবসময় চেষ্টা করেছে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে।এই এলাকায় ১৯৭৮ সালে পল্লি বিদ্যুতের লাইন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চালু করেছিলেন। বিদ্যুতের লাইন, বরিশাল বিভাগ বা এর বাইরের অনেক কাজ বিএনপি করেছিল। তবে কিছু কাজ শেষও করা সম্ভব হয়নি। গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারের শাসনামলে অনেক সমস্যা জমা হয়েছে। রাস্তা, স্কুল–কলেজের ভবন ভেঙে ধ্বংস হয়েছে।
ছোট হাসপাতালগুলোতে ডাক্তারের অভাব, স্কুলগুলোতে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এই সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে যখন আপনি ধানের শীষকে নির্বাচিত করবেন।
তারেক রহমান জানান, আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে এই এলাকায় যেখানে কৃষকের প্রয়োজন, সেখানে হিমাগার স্থাপন করা হবে। হিমাগারে পণ্য রাখা হলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। মায়েদের ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষকের জন্য কৃষিকার্ড চালু করা হবে। এছাড়া প্রয়োজনমতো সার ও বীজ কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে সমগ্র বাংলাদেশে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থানের সমস্যা রয়েছে। ভোলার গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। একইভাবে তরুণদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আমাদের পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের নারী ও তরুণ সমাজকে স্বাবলম্বী করা। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
তারেক রহমান বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এ এলাকার নদীভাঙন। অনেকের বাবা–দাদার ভিটে বাড়ি ভেঙে যাচ্ছে, মসজিদ ও মাদ্রাসাও ভেঙে গেছে। তাই এই বিশাল এলাকায় বেড়িবাঁধ দিতে হবে।
নদীভাঙন যেকোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে আমাদের। এ ধরনের আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে। আর এসব কাজ করতে হলে আপনাদের সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে দেখেছেন বিএনপি সবসময় চেষ্টা করেছে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে।এই এলাকায় ১৯৭৮ সালে পল্লি বিদ্যুতের লাইন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চালু করেছিলেন। বিদ্যুতের লাইন, বরিশাল বিভাগ বা এর বাইরের অনেক কাজ বিএনপি করেছিল। তবে কিছু কাজ শেষও করা সম্ভব হয়নি। গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারের শাসনামলে অনেক সমস্যা জমা হয়েছে। রাস্তা, স্কুল–কলেজের ভবন ভেঙে ধ্বংস হয়েছে।
ছোট হাসপাতালগুলোতে ডাক্তারের অভাব, স্কুলগুলোতে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এই সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে যখন আপনি ধানের শীষকে নির্বাচিত করবেন।
তারেক রহমান জানান, আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে এই এলাকায় যেখানে কৃষকের প্রয়োজন, সেখানে হিমাগার স্থাপন করা হবে। হিমাগারে পণ্য রাখা হলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। মায়েদের ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষকের জন্য কৃষিকার্ড চালু করা হবে। এছাড়া প্রয়োজনমতো সার ও বীজ কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে সমগ্র বাংলাদেশে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থানের সমস্যা রয়েছে। ভোলার গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। একইভাবে তরুণদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আমাদের পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের নারী ও তরুণ সমাজকে স্বাবলম্বী করা। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।