রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিকবান্ধব একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত। মানুষের সেবা, সততা ও দায়িত্বশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করাকে তিনি নিজের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কাজের গতি ফিরিয়ে আনা এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে তিনি সচেষ্ট রয়েছেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আসার পর সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, মর্যাদা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন সময় নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন ইয়াসের খান চৌধুরী। তাঁর মতে, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শুধু সংবাদ প্রকাশের মাধ্যম নয়; এটি জনগণের কথা বলার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। জনগণের সমস্যা, প্রত্যাশা, অসঙ্গতি ও সরকারের কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমে উঠে এলে সরকারও নিজেদের কাজের ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত করার সুযোগ পায়।
ইয়াসের খান চৌধুরী মনে করেন, একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যম রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদপত্র সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা করবে, একই সঙ্গে সরকারের ভুল-ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরবে—এটাই গণমাধ্যমের স্বাভাবিক দায়িত্ব। তাই গণমাধ্যমের সমালোচনাকে নেতিবাচকভাবে না দেখে তা থেকে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সাংবাদিকদের কল্যাণ ও পেশার মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো সংবাদপত্র বন্ধ করার পক্ষে তিনি নন। বরং সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমকে আধুনিক, সময়োপযোগী এবং সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সাংবাদিকরা যাতে ভয় বা চাপের বাইরে থেকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীলতা, পেশাগত নীতি ও সত্যনিষ্ঠার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে।
ইয়াসের খান চৌধুরীর রাজনৈতিক দর্শনে সমালোচনার একটি ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। তিনি মনে করেন, একজন রাজনৈতিক নেতা বা সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তির সমালোচনা হলে তা থেকে বিরূপ না হয়ে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া উচিত। সমালোচকদের প্রতি বিদ্বেষ না রেখে তাঁদের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করার মানসিকতাও তিনি ধারণ করেন।
সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করার পাশাপাশি দেশের গণমাধ্যমকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তাঁর মতে, জনগণের কথা বলার শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমকে আরও কার্যকর করে তুলতে সরকার, সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান—সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।