ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬,
সময়: ০৯:২৪:৪৮ PM

ইয়াসের খান:রাজনীতি যার জনকল্যাণের অঙ্গীকার

মান্নান মারুফ
23-10-2026 08:33:57 PM
ইয়াসের খান:রাজনীতি যার জনকল্যাণের অঙ্গীকার

সাহসী, মেধাবী ও বিচক্ষণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইয়াসের খান চৌধুরী। মানুষের সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সামনের পথে এগিয়ে যেতে চান তিনি। মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক কাজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম কিংবা নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো—সব ক্ষেত্রেই দায়িত্ব পালনে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে ওঠার প্রত্যাশা তাঁর রাজনৈতিক পথচলার অন্যতম দিক।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর রাজনৈতিক পথচলার সূচনা পারিবারিক আবহে। তাঁর বাবা ও চাচা দুজনই ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁরা সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারের রাজনৈতিক ঐতিহ্য তাঁকে রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত হতে সহায়তা করেছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন তিনি।

রাজনীতিতে শুধু পদ-পদবি নয়, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখাকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন ইয়াসের খান চৌধুরী। বিশেষ করে দলের দুঃসময়ে যেসব নেতা-কর্মী পাশে ছিলেন, তাঁদের খোঁজখবর রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এলাকার পাড়া-মহল্লার পরিচিতজন, প্রতিবেশী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার মাধ্যমে তাঁদের জীবনযাপন, পারিবারিক অবস্থা এবং নানা সমস্যার বিষয়ে জানার চেষ্টা করেন। মানুষের সঙ্গে এই যোগাযোগ রাজনীতিতে তাঁর দায়িত্ববোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এলাকার অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রামও তাঁর মনোযোগের বিষয়। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের সমস্যাগুলো জানা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। কারও আর্থিক সংকট, কারও পারিবারিক সমস্যা, আবার কারও দৈনন্দিন জীবনযাপনের নানা প্রতিবন্ধকতা—এসব বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে চান এই জনপ্রতিনিধি। তাঁর এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রয়োজনের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনসেবার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করা।

দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও ব্যস্ত সময় কাটে তাঁর। মন্ত্রণালয়ের সভা-সমাবেশ, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় থাকার চেষ্টা করেন তিনি। জনসভা, পথসভা ও স্থানীয় পর্যায়ের মতবিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সমস্যা ও মতামত জানার সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকার ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগকে রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন ইয়াসের খান চৌধুরী। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের খোঁজ নেওয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার মতো কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি। এ ধরনের উদ্যোগের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সেতুবন্ধ তৈরি হতে পারে। তবে এই যোগাযোগের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে মানুষের সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং তাঁদের প্রত্যাশার যথাযথ মূল্যায়নের ওপর।

একজন জনপ্রতিনিধির কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি এবং দরিদ্র মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এসব ক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজন চিহ্নিত করা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা এবং বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করা একজন রাজনীতিকের দায়িত্বের অংশ। ইয়াসের খান চৌধুরীর রাজনৈতিক পথচলাতেও এসব জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় গুরুত্ব পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

সব মিলিয়ে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের মধ্য দিয়ে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানকে এগিয়ে নিতে চান ইয়াসের খান চৌধুরী। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এলাকার মানুষের পাশে থাকার যে প্রত্যাশা তিনি ধারণ করেন, তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটবে জনসেবার ধারাবাহিকতা, দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে। মানুষের আস্থা অর্জন এবং তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই হতে পারে তাঁর রাজনৈতিক পথচলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।